সূর্যকুমার অশোক যাদব একজন ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। তিনি একজন ডানহাতি মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। তিনি ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক (টি-টোয়েন্টি) দলের অধিনায়ক পদে ও নিযুক্ত হয়েছেন। সূর্যকুমার যাদব ২০২৩ এশিয়া কাপ এবং ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী জাতীয় দলের অংশ ছিলেন।
বর্তমানের ক্রিকেট খেলোয়াড়দের মধ্যে তিনি বিশেষ জনপ্রিয়। কলকাতার হয়ে আইপিএল খেলা দিয়ে তাঁর ক্রিকেটে আত্মপ্রকাস। তারপর একের পর এক ভালো পারফরমান্স দিয়ে ভারতের জাতীয় দলে নিজের আধিপত্ত বিস্তার করা। তাঁর জীবনের লড়াই এখনও চলছে। এখনও জীবনের অনেকটা পথ অতিক্রম করা তাঁর বাকি, কিন্তু তাঁর এই অতিক্রান্ত পথের গল্পও অনেক রোমাঞ্চকর। তাই আজ এই প্রবন্ধে সূর্যকুমার যাদব কে নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।
আরো পড়ুন : শুভমান গিল জীবনী
সূর্যকুমার যাদব জীবনী | Suryakumar Yadav biography in Bengali
Career Statistics
| Competition | Test | ODI | T20I | FC |
|---|---|---|---|---|
| Matches | 1 | 37 | 83 | 86 |
| Runs scored | 8 | 773 | 2598 | 5,758 |
| Batting average | 8.00 | 25.76 | 38.20 | 42.33 |
| 100s/50s | 0/0 | 0/4 | 4/21 | 14/30 |
| Top score | 8 | 72* | 117 | 200 |
| Balls bowled | – | 12 | 6 | 1,154 |
| Wickets | – | 0 | 2 | 24 |
| Bowling average | – | – | 2.50 | 22.91 |
| 5 wickets in innings | – | 0 | 0 | 0 |
| 10 wickets in match | – | – | – | 0 |
| Best bowling | – | 2/5 | 2/5 | 4/47 |
| Catches/stumpings | 0/– | 17/– | 50/– | 109/– |
ছোটবেলা ও পড়াশুনা
সূর্যকুমার অশোক যাদব-এর জন্ম ১৯৯০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের বোম্বে (বর্তমানে মুম্বাই) শহরে। তাঁর বাবা-মা উত্তর প্রদেশের গাজিপুর থেকে মুম্বাইয়ে এসেছিলেন। তাঁর বাবার নাম অশোক কুমার যাদব এবং তাঁর মায়ের নাম স্বপ্না যাদব। তিনি মুম্বাইয়ের অ্যাটমিক এনার্জি সেন্ট্রাল স্কুলে পড়াশোনা করেন এবং মুম্বাইয়ের পিল্লাই কলেজ থেকে বি.কম ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি উত্তর প্রদেশের বারাণসীতে তার কাকা বিনোদ কুমার যাদবের নির্দেশনায় ক্রিকেট খেলা শুরু করেন। ১০ বছর বয়সে, তিনি অশোক কামতের কোচিংয়ে মুম্বাইয়ের বিএআরসি কলোনির একটি ক্রিকেট ক্যাম্পে ভর্তি হন। এরপর তিনি প্রাক্তন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার দিলীপ ভেংসরকার পরিচালিত এলফ ভেংসরকার একাডেমিতে যান এবং মুম্বাইতে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ক্রিকেট ম্যাচ খেলেন।
বর্তমান বয়স
সূর্যকুমার যাদবের জন্ম ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯০ সালে ভারতের মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ে। জুন, ২০২৫ অনুযায়ী, তাঁর বয়স ৩৪ বছর ৯ মাস প্রায়।
আরো পড়ুন : মহেন্দ্র সিং ধোনি জীবনী
প্রাথমিক এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে ক্যারিয়ার
সূর্যকুমার যাদব মুম্বাইতে ক্লাব ক্রিকেট খেলেছেন, বেশিরভাগই পারসি জিমখানা ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে, ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড, পারসি জিমখানা এবং দাদার ইউনিয়নের মতো দলগুলির সাথে। ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুম্বাইয়ের হয়ে গুজরাটের বিপক্ষে লিস্ট এ (List A) ম্যাচে অভিষেক হয় তাঁর। পরের মাসে হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয় এবং পরে ২০১০ সালের ডিসেম্বরে দিল্লির বিপক্ষে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক হয়।
২০১১-১২ রঞ্জি ট্রফি মৌসুমে, তিনি নয়টি খেলায় ৬৮-এর বেশি গড়ে ৭৫৪ রান করে মুম্বাইয়ের হয়ে সর্বাধিক রান করেন। তিনি ভারতীয় অনূর্ধ্ব-২২ দলেরও অংশ ছিলেন এবং দুটি সেঞ্চুরি সহ ৮০-এর বেশি গড়ে ৭২১ রান করেন। ১০ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে চেন্নাইতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ড কর্তৃক তাকে সেরা অনূর্ধ্ব-২২ ক্রিকেটারের জন্য এমএ চিদাম্বরম ট্রফি প্রদান করা হয়।
২০১৪-১৫ রঞ্জি ট্রফি মৌসুমে সূর্যকুমার যাদব অল্প সময়ের জন্য মুম্বাই দলের অধিনায়ক ছিলেন, কিন্তু টুর্নামেন্টের মাঝামাঝি সময়ে তাকে বদলি করা হয়। তিনি ২০১৫-১৬ রঞ্জি ট্রফি জয়ী মুম্বাই দলের অংশ ছিলেন। ২০১৬-১৭ সালে মুম্বাই দলের হয়ে রঞ্জি ট্রফিতে ও ভালো পারফরমেন্স করেছিলেন এবং ফাইনালে ও পৌঁছেছিলন। শেষ পর্যন্ত গুজরাটের কাছে তাঁর দল হেরে যায়।
২০১৮-১৯ “বিজয় হাজারে ট্রফি লিস্ট এ” ক্রিকেট টুর্নামেন্টে তিনি ৪০-এরও বেশি গড়ে ২৪১ রান করেন, যা মুম্বাই জিতেছিল। ২০১৯-২০ দেওধর ট্রফির জন্য সূর্যকুমার যাদব ইন্ডিয়া সি স্কোয়াডে নামে খ্যাত হন।
আরো পড়ুন : জসপ্রীত বুমরাহ জীবনী
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট
২০২১ সালের মার্চ মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের হয়ে সূর্যকুমার যাদব তাঁর টি-টোয়েন্টি অভিষেক করেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর প্রথম বলে ছক্কা মেরে এবং প্রথম ইনিংসে অর্ধশতক হাঁকানোর মাধ্যমে তিনি সমস্ত দর্শকদের মন কেড়ে নেন। সেই বছরের শেষের দিকে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাঁর ওডিআই ক্রিকেটে অভিষেক হয় এবং সেই ম্যাচে তিনি একটি অর্ধ শত রান করেন। ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য নির্বাচিত হলেও, সেই সিরিজে ভারত গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পরে।
বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচে তিনি মাত্র ৩১ রান করেন। ২০২২ সালে, তিনি নিজেকে প্রস্তুত করেন, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি করেন এবং ১,০০০ টি-টোয়েন্টি রান করার ক্ষেত্রে দ্রুততম হয়ে ওঠেন। ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তিনি ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে শেষ করেন, আইসিসির বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটারের পুরস্কার অর্জন করেন এবং বিশ্বের শীর্ষ টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যান হিসেবে স্থান পান। ২০২৩ সালে, তিনি আরও দুটি টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি যোগ করেন, একাধিক সিরিজে ভারতের অধিনায়কত্ব করেন এবং ওডিআই বিশ্বকাপে খেলেন যেখানে ভারত রানার্সআপ হয়।
তিনি সর্বাধিক টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির রেকর্ডে রোহিত শর্মা এবং গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের সমান হন এবং তার আইসিসি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটার অফ দ্য ইয়ার খেতাব ধরে রাখেন। ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে, তিনি ভারতের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচের পুরষ্কার অর্জন করেন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ফাইনালে একটি ম্যাচ-নির্ধারক ক্যাচ নেন। যদিও ২০২৪ সালের জুনে তিনি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে নেমে যান, তবুও তিনি ভারতের নেতৃত্ব অব্যাহত রাখেন, শ্রীলঙ্কায় ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ে দলকে নেতৃত্ব দেন।
আরো পড়ুন : সৌরভ গাঙ্গুলি জীবনী
আইপিএল ক্যারিয়ার
সূর্যকুমার যাদব ২০১২ সালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে আইপিএল যাত্রা শুরু করেছিলেন কিন্তু সীমিত সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০১৪ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্স তাকে দলে নিয়েছিল এবং উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছিল, চার মৌসুমে ৫৪ ম্যাচে ৬০৮ রান করেছিল, যার মধ্যে ২০১৪ সালে শিরোপাজয়ী কেকেআর দলের অংশ ও ছিলেন।
২০১৮ সালে, তিনি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে ফিরে আসেন এবং একজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হয়ে ওঠেন, তিনটি মৌসুমে ১৪০০ এরও বেশি রান করেছিলেন এবং ২০১৯ এবং ২০২০ সালে তাদের শিরোপা জিততে সাহায্য করেছিলেন। ২০২২ সালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স দ্বারা ₹৮০ মিলিয়ন ডলারে ধরে রাখা হয়েছিল, এই সিজিনে তিনি অনেকটা সময় আঘাতের কারনে খেলতে পারেননি, কিন্তু এটি একটি দুর্দান্ত মরসুম ছিল।
২০২৩ সালে আইপিএল এ তিনি সহ-অধিনায়ক হিসেবে নিযুক্ত হন, তিনি ৬০৫ রান এবং একটি প্রথম সেঞ্চুরি সহ তার সেরা আইপিএল মরসুম কাটিয়েছিলেন। ২০২৪ সালে আঘাতের কারণে আইপিএল এর প্রথম কয়েকটি ম্যাচ মিস করা সত্ত্বেও, তিনি ১১টি খেলায় খেলে ৩৪৫ রান করেছিলেন, যার মধ্যে তার দ্বিতীয় আইপিএল একটি সেঞ্চুরি ও করেছিলেন।
খেলার ধরণ
সূর্যকুমার যাদব একজন হার্ড-হিটিং মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যান। তিনি অফ এবং লেগ উভয় দিকেই বিস্তৃত শট খেলেন এবং মাঠের চারপাশে শট খেলেন। তিনি মাঠের চারপাশে শট মারতে তাঁর কব্জি ব্যবহার করেন এবং ফাইন লেগের উপর স্কুপ ও বজায় রাখেন তাই তাঁকে প্রায়শই মিস্টার 360 বলা হয়।
আরো পড়ুন : সাই সুদর্শন জীবনী
সূর্যকুমার যাদবের রেকর্ড
আন্তর্জাতিক রেকর্ড
১। সবচেয়ে দ্রুত ১০০০ টি-টোয়েন্টি রান – মাত্র ৫৭৩ বলে অর্জন।
২। প্রথম ভারতীয় হিসেবে অভিষেকের বলে টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করা – ২০২১ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে প্রথম বলে ছক্কা হাঁকানো।
৩। আইসিসি টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ে তৃতীয় ভারতীয় হিসেবে ১ নম্বর স্থান অধিকার করেছেন – ২০২২ সালের অক্টোবরে বিশ্বের ১ নম্বর টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যান হয়েছেন।
৪। এক বছরে (২০২২ সালে) ৩টি টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি করা একমাত্র ভারতীয়।
৫। একজন ভারতীয় হিসেবে দ্বিতীয় দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি – ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করা।
৬। প্রথম ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ৫০ বলে একাধিকবার টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করা।
আইপিএল-এ রেকর্ড
৭। ৩,০০০ এরও বেশি আইপিএল রান – কেকেআর এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স উভয়ের জন্য ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের জন্য পরিচিত।
৮। ২০২৩ সালে প্রথম আইপিএল সেঞ্চুরি – গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে।
৯। ২০২৪ সালে দ্বিতীয় আইপিএল সেঞ্চুরি – সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে।
১০। ২০২৩ সালের সেরা আইপিএল মরশুম – ১৬ ম্যাচে ৬০৫ রান করেছেন।
১১। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সহ-অধিনায়ক (২০২৩) – এমনকি একটি ম্যাচে অধিনায়কত্বও করেছেন।
আরো পড়ুন : বিরাট কোহলি জীবনী
সূর্যকুমার যাদবের মোট সেঞ্চুরি
সূর্যকুমার যাদব টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে মোট ছয়টি সেঞ্চুরি করেছেন
টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৪টি সেঞ্চুরি ও আইপিএলে ২টি সেঞ্চুরি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে।
সূর্যকুমার যাদবের প্রাপ্ত পুরষ্কার
১। ২০২২ আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ক্রিকেটার অফ দ্য ইয়ার – ২০২২ সালে টি-টোয়েন্টিতে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য।
২। আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি টিম অফ দ্য ইয়ার (২০২২ এবং ২০২৩) – ধারাবাহিক বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের জন্য টানা দুই বছর নির্বাচিত।
৩। মাধবরাও সিন্ধিয়া পুরষ্কার (ঘরোয়া ক্রিকেট) – রঞ্জি ট্রফিতে মুম্বাইয়ের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার জন্য।
৪। ম্যান অফ দ্য ম্যাচ পুরষ্কার (আন্তর্জাতিক) – ম্যাচ জয়ী পারফরম্যান্সের জন্য টি-টোয়েন্টি এবং ওয়ানডেতে একাধিকবার।
৫। ম্যান অফ দ্য সিরিজ (টি-টোয়েন্টি) – সর্বোচ্চ স্কোরিং এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের জন্য বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজে অর্জিত।
৬। সিইএটি টি-টোয়েন্টি বর্ষসেরা ব্যাটসম্যান অফ দ্য ইয়ার (২০২৩) – আন্তর্জাতিক এবং আইপিএলে তার দুর্দান্ত টি-টোয়েন্টি পারফরম্যান্সের জন্য।
৭। আইপিএল প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ পুরষ্কার – গুরুত্বপূর্ণ আইপিএল ম্যাচে উচ্চ-প্রভাবশালী ইনিংসের জন্য প্রায়শই স্বীকৃত।
বিবাহিত জীবন
সূর্যকুমার যাদব একজন ধ্রুপদী নৃত্যশিল্পী এবং লাইফস্টাইল কোচ দেবীশা শেঠির সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতি ২০১২ সালে মুম্বাইতে তাদের কলেজের সময় দেখা করেছিলেন এবং ৭ জুলাই ২০১৬ তারিখে একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে বিয়ে করেছিলেন। তাদের মধ্যে একটি দৃঢ় বন্ধন রয়েছে এবং প্রায়শই তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের একসাথে জীবন সম্পর্কে পোস্ট করেন।
আর্থিক প্রতিপত্তি
২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী, সূর্যকুমার যাদবের আনুমানিক মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ₹৪৫-৫৫ কোটি, যা তিনি বিসিসিআই চুক্তি, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সাথে আইপিএল বেতন (₹৮ কোটি) এবং ব্র্যান্ড এন্ডোর্সমেন্টের মাধ্যমে অর্জন করেছেন। তিনি সম্প্রতি মুম্বাইতে ₹২১.১ কোটি মূল্যের দুটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন এবং বেশ কয়েকটি উচ্চমানের গাড়ি এবং সুপারবাইকের মালিক। তার মাসিক আয় প্রায় ₹৭৫ লক্ষ এবং তার সম্পদ বিলাসবহুল জীবনযাত্রার প্রতিফলন ঘটায়।
FAQ: Suryakumar Yadav biography in Bengali
১। সূর্যকুমার যাদব কে?
সূর্যকুমার যাদব একজন ভারতীয় ক্রিকেট খেলোয়াড়। তিনি একজন হার্ড-হিটিং মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যান।
২। সূর্যকুমার যাদব জন্ম কোথায় হয়?
সূর্যকুমার অশোক যাদব-এর জন্ম ১৯৯০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের বোম্বে (বর্তমানে মুম্বাই) শহরে।
৩। সূর্যকুমার যাদব-এর পিতার নাম কী?
অশোক কুমার যাদব, তিনি মুম্বাইয়ের ভাবা পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রের (বিএআরসি) একজন বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন।
৪। সূর্যকুমার যাদব -এর সেঞ্চুরি সংখ্যা কত?
এখনও পর্যন্ত সূর্যকুমার যাদব -এর সেঞ্চুরি সংখ্যা ৬।
৫। সূর্যকুমার যাদব-এর স্ত্রীর নাম কী?
সূর্যকুমার যাদব-এর স্ত্রীর নাম দেবীশা শেঠি।
নমস্কার, প্রিয় পাঠকগণ। আমার নাম শুভম বিশ্বাস। আমি গত ৫-৬ বছর ধরে ব্লগিং করছি। এই ব্লগটা শুরু করেছি বাংলায় ক্রিকেট খবর এবং আইপিএল নিয়ে লেখার জন্য। ক্রিকেট আমার ছোটবেলা থেকেই একটা ভালোলাগার জায়গা তাই সেই ভালো লাগাকে কাজে লাগিয়ে এই নতুন উদ্যোগ।