সাই সুদর্শন জীবনী। Sai Sudarshan Biography in Bengali

আইপিএল আজকের দিনে একটি পপুলার স্পোর্টস ইভেন্ট হয়ে উঠেছে । প্রতি বছর আমরা আইপিএলে নতুন নতুন প্লেয়ার দেড় কে খেলতে দেখতে পাই, এদের মধ্যে অনেকেই ভারতীয় দলের তারকা হয়ে উঠেছেন । যেমন রুতুরাজ গায়কওয়াড় অভিষেক শর্মা, যাশ্বস্বী যাইস্বল এবং সুর্যকুমার যাদব । 

তবে আইপিএলে এমন খুব কম এ প্লেয়ার আসে যারা কঠিন পরিস্থিতিতে নিজেদের ধৈর্য, শান্ত আচরণ এবং সংযম দিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। তেমনি প্লেয়ার সম্প্রীতি আইপিএল এ উঠে এসেছে যার নাম সাই সুদর্শন। তার কোহলির মতো খারাপ পরিস্থিতিতেও স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাটিং করার জন্য তার বন্ধুরা তাকে নেক্সট কোহলি বলে ডাকে। এমনকি রবি শাস্ত্রীও এই তরুণ প্লেয়ারকে সকল ফর্ম্যাটের যোগ্য খেলোয়াড় বলে মনে করেন |

কিন্তু এত ধারাবাহিক এবং নেক্সট কোহলি বলে পরিচিত সাই সুদর্শন এখনও এত বেশি আন্ডাররেটেড যে এখনো অনেকেই তাকে চেনে না| কেন এত আন্ডাররেটেড এই প্রতিভা? চলুন, জেনে নিই সাই সুদর্শনের অসাধারণ ক্রিকেট জার্নি!

সাই সুদর্শন জীবনী (Sai Sudarshan Biography in Bengali)

Sai Sudarshan Perfromence

বিষয়ODIT20IPL
ম্যাচ৪০
ইনিংস৪০
রান১২৭১৭৯৩
সর্বোচ্চ রান৬২১০৮
অ্যাভারেজ৬৩.৫৪৯.৮
হাফ সেঞ্চুরি১২
সেঞ্চুরি
১৭১৮৩
৫২

আরো পড়ুন শচীন তেন্ডুলকর জীবনী 

জন্ম ও শৈশব

সাই সুদর্শনের গল্পের শুরু হয়  হয় ২০০১ সালের ১৫ অক্টোবর তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে এমন একটি শহর যেখানে ক্রিকেট এর প্রতি আলাদা একরকম আবেগ রয়েছে তবে তার জন্ম কোনো সাধারণ পরিবারে হয়নি, তার পরিবার ক্রীড়াজগতের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। সাঁইয়ের বাবা আর. ভরদ্বাজ ১৯৯৩ সালের ঢাকায় অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশীয় গেমসে একজন স্প্রিন্টার হিসেবে ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তার মা উষা ভরদ্বাজ রাজ্য স্তরের ভলিবল খেলোয়াড় ছিলেন।

এমন একটি খেলাধুলাপ্রবণ পরিবেশে বড় হওয়ার কারণে শৈশব থেকেই খেলাধুলার প্রতি সাই সুদর্শনের খুবই আগ্রহ। স্কুলজীবনে সাই স্বপ্ন দেখত তার বাবার মতো একজন স্প্রিন্টার হওয়ার। তবে সেই স্বপ্নের মাঝেও, পাড়ার আর পাঁচটা ছেলের মতো নিয়মিত ক্রিকেট খেলত সে। এমনকি স্কুলের ক্রিকেট প্রতিযোগিতাতেও ভালো ব্যাটিং করত । 

এভাবেই আস্তে আস্তে তার ক্রিকেট এর প্রতি ভালোবাসা জন্মাতে শুরু করে এরপর যখন সাই ১০ বছর বয়সী হলো তখন সে তার পরিবারের সাথে ক্রিকেট খেলার আগ্রহ জানাই। তার পরিবার সময় নষ্ট না করে তাকে Alwarpet Cricket Club এ ভর্তি করিয়ে দেয়, যেখানে সে কোচ এস. বালাজির অধীনে ক্রিকেটের যাত্রা শুরু হয়।

আরো পড়ুন রোহিত শর্মা জীবনী

ক্রিকেটার হওয়ার যাত্রা

মাত্র ১২ বছর বয়সে সে চেন্নাইয়ের স্থানীয় টুর্নামেন্টগুলোতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ফলে তার নাম চেন্নাইয়ের স্থানীয় ক্রিকেট মহলে উচ্চারিত হতে শুরু করে। নিজের দক্ষতার জোরে সে তামিলনাড়ুর অনূর্ধ্ব-১৪ দল এবং পরবর্তীতে অনূর্ধ্ব-১৬ দলে জায়গা করে নেয়। 

২০১৮ সালে ১৬ বছর বয়সী সাই জুনিয়র চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে তার প্রথম আন্তর্জাতিক সফরে যাই। এই সফরে এ তার মেন্টর ছিলেন আম্বাতি রায়ডু এবং এস. শারদ। সে এই টুর এ নিজের ব্যাটিং এর সাথে সাথে নিজের লেগ-স্পিন দিয়েও সবাইকে চমকে দিয়েছিল। ফাইনালে সে ৬৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে এবং দুটি উইকেটও নেয়, যার ফলে জুনিয়র সিএসকে ৫০ ওভার এবং ২০ ওভারের টুর্নামেন্ট জিতে যাই ।

এরপর  2019-20 Under 19 Challenger ট্রফির মাত্র চারটি ম্যাচে সাই ১৮১ রান করে, যার গড় ছিল ৪৫.২৫। এই series  এ তার সবথেকে প্রশংসনীয় ইনিংস আসে ফাইনাল ইন্ডিয়া বি টীম এর বিরুদ্ধে। ফাইনালে ইন্ডিয়া বি-এর বিরুদ্ধে ১০৬বলে  ৭৪ রানের ইনিংস খেলে দলকে ৩০৪-এর মতো বড় লক্ষ্যে পৌঁছে দেয় এবং টীম জয়ী হয়। তাছাড়াও, ২০১৯-২০ বিনু মানকড় ট্রফিতে সাই আট ম্যাচে সে ৩৪৫ রান করে, যার গড় ছিল ৫৭.৫০, এবং এতে দুটি অপরাজিত সেঞ্চুরিও ছিল আবারো নিজের যোগ্যতা প্রমান করে।

২০১৯/২০ মৌসুমে পালায়ামপট্টি শিল্ডের রাজা, ৫২.৯২ গড়ে ৬৩৫ রান করে আলবারপেটের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিল।

আরো পড়ুন বিরাট কোহলি জীবনী

জীবনের সবথেকে বড়ো ঝড়

তবে তার ক্রিকেটার হওয়ার পথ এতটাও সহজ ছিল না, তার ক্রিকেটার হওয়ার যাত্রা পথে সব থেকে বড় ঝড় আসে ২০১৯ সালে যখন সে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের জন্য ভারতীয় দলে তার জায়গা হয় না । 

তাছাড়াও ২০১৯ ডিসেম্বরে, কোচবিহার ট্রফির জন্য তামিলনাড়ুর অনূর্ধ্ব-১৯ দল থেকে সাঁইকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এসম্পর্কে সাই এক ইন্টারভিউ এ জানাই যখন তাকে বাদ দেওয়ার খবর আসে, তখন সে দলের সাথে বিমানবন্দরে ছিল। এতে তিনি খুব দুঃখ পেয়ে ছিলেন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন

ঘুরে দাঁড়ানো

কিন্তু সাই এর দুর্দিন এখনো শেষ হয়নি কেননা পরের বছর অর্থাৎ ২০২০ সালে লকডাউনের সময়, যখন পুরো পৃথিবী থমকে গেল, তখন ১৮ বছরের এই তরুণ ক্রিকেটারও ঘর বন্দি হয়ে গেল। কিন্তু সাই ঠিক করে এই সময়টি সে খালি বসে থেকে কাটাবে না এতে তার পাশে ছিল তার মা উষা ভরদ্বাজ। তিনি সাই এর জন্য সঠিক স্বাস্থ্যকর খাদ্য দিয়ে ডায়েট প্ল্যান তৈরি করেন।

এছাড়াও সাই এর শারীরিক শক্তি ইমপ্রুভমেন্ট এর জন্য তার সময়সূচীতে বিভিন্ন এক্সারসাইজ এমনকি তার নমনীয়তা আর মনোযোগ বাড়াতে যোগাও অ্যাড করেছিলেন। সাইকে অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্য তিনি বিরাট কোহলির ফিটনেস ভিডিও দেখাতেন, বিশেষ করে গ্রাহাম বেনসিঞ্জারের সাক্ষাৎকার যেখানে কোহলি তার ট্রান্সফরমেশনের কথা বলেছিলেন।

তিনি বলতেন, “সাই ব্যাটসম্যান, কিন্তু ফিল্ডিং এবং স্ট্যামিনাও দরকার।”

তার এই কঠোর পরিশ্রম এই ফল আমরা দেখতে পাই ২০২১ সালে যখন টিএনপিএল ফিরে আসে, তখন প্রথম ম্যাচেই সাই ৪৩ বলে ৮৭ রান করে এবং পুরো টুর্নামেন্টে এর আট ম্যাচে সে  ৩৫৮ রান করেন, তার গড় ছিল ৭১.৬০। 

যদিও Dindigul Dragons তার টীম Kovai Kings কে প্লেঅফে ৫ উইকেটে হারিয়ে দেয় , তবুও তার ব্যাটিং এবং ফিল্ডিং এর মাধ্যমে সবাইকে মুগ্ধ করে। এমনকি রবিচন্দ্রন অশ্বিনও তার পারফর্মেন্সে মুগ্ধ হয়ে তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনকে সাইকে তামিলনাড়ু দলে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য টুইট করেন  ।

এই পারফর্মেন্সের জোরে সাই তামিলনাড়ুর টি-টোয়েন্টি এবং লিস্ট এ ক্রিকেটে নিজের জায়গা করে নেই । এর পর ২০২২ সালের বিজয় হাজারে ট্রফিতেও সে  নিজের ছন্দ বজায় রেখে আট ইনিংসে ৬১০ রান করে, যার গড় ছিল ৭৬.২৫।

তার এই পারফরম্যান্সের প্রভাব টিএনপিএল নিলামেও দেখা যায়। Kovai Kings দলের পার্স সাইজ ৭০ লাখ হলেও তারা তাদের পার্স সাইজের ৩২% অর্থাৎ ২১.৬০ লাখ খরচা করে সাই সুদর্শনকে কিনেছিল এটি দেখায় যে ক্রিকেটিং মহলে সাইয়ের কী মূল্য ছিল।

আরো পড়ুন : India vs England Test 2025: ভারতের শক্তিশালী সম্ভাব্য একাদশ, রোহিত-কোহলি ছাড়া কেমন দেখাবে দল?

আইপিএল অভিষেক

সাই দুটি টুর্নামেন্টেই সে ধারাবাহিক ভালো পারফর্ম করে সে গুজরাট টাইটানসের সহকারী কোচ আশীষ কাপুরএর  নজরে আসে। এরপর যখন ২০২২ সালে যখন আইপিএল মেগা অকশনে তার নাম আসে তখন গুজরাট টাইট্যান্স সাইকে ২০ লাখ বেস প্রাইসে নিজেদের দলে অন্তর্ভুক্ত করে নেই 

তবে মরসুমেরশুরুতে স্বাভাবিকভাবেই সাই দলে জায়গা পাইনি কিন্তু পাঞ্জাব এর বিরুদ্ধে  ম্যাচে বিজয় শঙ্করের চোট পেলে তার রিপ্লেসমেন্টে আনা হয় সাইকে। যখন সে ব্যাট করতে আসে, তখন শুভমান গিল দ্রুত গতিতে রান বানাচ্ছিলেন আর সে একজন  অভিজ্ঞ প্লেয়ার এর মতো প্রথম ম্যাচেই শুভমানকে সমর্থন দেয় সুদর্শন এই ম্যাচে ৩০ বলে ৩৫ রান করে।

আর এই মরসুমেই দ্বিতীয়বারের জন্য যখন পাঞ্জাব ও গুজরাট মুখোমুখি হয় তখন সাই অপরাজিত ৬৫ রান করে তার অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করে। পুরো ২০২২ সালের মরসুমে মোট পাঁচটি ম্যাচ খেলে সে ১৪৫ রান করেছিল | একই মরসুমে এ মুম্বাই এর বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান কাইরন পোলার্ড ১১ ইনিংস এ ১৪৪ রান করে। যাইহোক এই মরসুমে গুজরাট টাইটানস আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাই |

২০২২ আইপিএল এর মতো ২০২৩ এও সাই সুন্দর ব্যাটিং পার্ফরমেন্স দেখিয়ে মাত্র ৮ ম্যাচে ৩৬২ রান করে। কিন্তু এই মরসুমে শুভমান গিল এত বেশি রান করে ফেলেছিলেন যে তিনি সাইয়ের পারফরম্যান্সকে ছাপিয়ে গিয়েছিল।

এই মরসুমে সাই এর ব্যাট থেকে সবচেয়ে আইকনিক ইনিংসটি এসেছিল আইপিএল ফাইনালে , যেখানে তিনি মাত্র ৪৭ বলে ৯৬ রানের এক অসাধারণ ইনিংস খেলে দলকে পৌঁছে দেন ২১৪ রানের বিশাল স্কোরে। এটি আজ পর্যন্ত যেকোনো ফাইনালে একজন অনক্যাপড খেলোয়াড়ের জন্য সর্বোচ্চ স্কোর ছিল।

যদিও চেন্নাই ফাইনাল জিতে যাই কিন্তু এই ইনিংসটি আরো উল্লেখযোগ্য কেননা এর ঠিক আগের ম্যাচেই সাইকে স্লো স্ট্রাইক রেটে খেলার জন্য ‘রিটায়ার্ড আউট’ হতে হয় এবং এই ম্যাচে তার সামনে ছিল চারবারের চ্যাম্পিয়ন মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস। তাই এই ইনিংসটা শুধু রান বা স্ট্রাইক রেটেই নয়, মানসিক দৃঢ়তার দিক দিয়েও অনন্য।

আন্তর্জাতিক ম্যাচে অভিষেক

তাছাড়াও, চেন্নাই এর বিরুদ্ধে ইনিংস যেন তার ভাগ্য খুলে দেয়। আইপিল এর কয়েকমাস পরেই  গুজরাট টাইটান্সের ক্রিকেট পরিচালক বিক্রম সোলাঙ্কির কারণে সাই কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে ইউকেতে যায়। এই সময়ই ইরানি কাপের রেস্ট অফ ইন্ডিয়া দলে তার নাম আসে। ইরানি কাপের প্রথম ইনিংসে সাই সৌরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ৭২ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে, যার কারণে রেস্ট অফ ইন্ডিয়া ১৭৫ রানে সৌরাষ্ট্রকে হারায়।

ভারতীয় দলের নির্বাচকরাও আর তার থেকে চোখ সরিয়ে রাখতে পারেনি ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে কেএল রাহুলের আন্ডারে তার ODI অভিষেক হয় এবং এই দিনই  সাই  ৪৩ বলে ৫৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে। এই টুর এ তিন ইনিংসে তার মোট ছিল ১২৭ রান, যার গড় ৬৩.৫০। এই series এ ভালো পারফর্ম করলেও এরপর দুর্ভাগ্যবশত তাকে সুদর্শনকে ওয়ানডে ম্যাচে আর কখনও সুযোগ দেওয়া হয়নি।

ঠিক কয়েক মাস পর অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৭ জুলাই জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তার টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় যদিও এই সিরিজে সাইকে ব্যাট হাতে নামতে দেখা যায়নি।

২০২৫ সালে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা টেস্ট থেকে রিটায়ারমেন্ট ঘোষণা করেন। এরঠিক কিছুদিন পরেই জুলাই মাসে হতে যাওয়া ইংল্যান্ড এর বিরুদ্ধে ভারতের টেস্ট সিরিজে সাই সুদর্শনের নাম এসেছে হয়তো সে এই সিরিজেই নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক টেস্ট অভিষেক করবে ।

গুজরাট টাইট্যান্সের ভরসা হয়ে ওঠা

তারপর আসে আইপিএল ২০২৪, যা গুজরাট এর আজ অব্দি সবথেকে খারাপ season প্রমাণিত হয় কেননা গুজরাট ৭টি ম্যাচ হেরে কোয়ালিফাই করতেও ব্যার্থ হয়। কিন্তু সাই নিজের ফর্ম বজায় রেখে মাত্র ১২ ম্যাচে  ৫২৭ রান করে দলের রান সংগ্রাহক।

আর এবারও তার সবচেয়ে বেস্ট ইনিংস আসে চেন্নাই বিরুদ্ধে ১০ মে, যেখানে সাই ৫১ বলে ১০৩ রান করে আইপিএল ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দেয়। এর সাথে সাথেই মাত্র ২৫ ইনিংসে ১০০০ রান পূর্ণ করে সে শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভেঙে নিজের জায়গা করে নেই আইপিএলে দ্রুততম ১০০০ রান করা ভারতীয় ক্রিকেটারের তালিকায়।

তার এই পারফর্মেন্স এর জোরেই গুজরাট টাইট্যান্স ২০২৫ আইপিএল মেগা অকশন শুরুর আগে তাকে ৮.৫ কোটি টাকায় রিটেন করে রাখে, যা প্রমাণ করে যে সে দলের জন্য কতটা বিশ্বস্ত খেলোয়াড় হয়ে উঠেছে।

তারপর হটাৎ একদিন খবর আসে যে সাই স্পোর্টস হার্নিয়ার জন্য সার্জারি করাচ্ছে, কিন্তু এই বিরতিও তার গতি কমায়নি যা আইপিএল ২০২৫ এ তার পারফর্মেন্স প্রমান করে| মাত্র ১৫ ম্যাচে ৭৫৯ রান করে মরসুমের সর্বোচ রান সংগ্রাহক হয়ে যাই। প্রসঙ্গত এই আইপিএলেও সাই শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভেঙে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ২০০০ রান করা দ্রুততম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে 

এছাড়াও এই বছর মুম্বাই এর বিরুদ্ধে এলিমিনাটোর ম্যাচে যেখানে গুজরাটের টপ ও মিডল অর্ডার বার্থ হয় সেখানে সেই সাই নিজের ব্যাটের জোরে দলকে ৪৯ বলে ৮০ রান করে দলের আশা শেষ অব্দি ধরে রাখে কিন্তু ওয়াশিংটন সুন্দর ছাড়া কেউ ঠিকঠাক রান করতে পারেনা ফলে গুজরাট ম্যাচটি হেরে যাই।

FAQs: Sai Sudarshan Biography in Bengali

১। সাই সুদর্শন কোন রাজ্যের বাসিন্দা?

সাই সুদর্শন তামিলনাড়ু রাজ্যের বাসিন্দা।

২। সাই কি কোনোদিন ০ রানে আউট হয়নি ?

২০২১ সালের ৮ আগস্ট নেল্লায় রয়াল কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচে সাই ৪ বলে ০ রান করে আউট হয়ে যাই।

৩। আম্বাতি রাইডু কী সাই সুদর্শনের এর মেন্টর ছিলেন ?

হাঁ, ২০১৮ সালে জুনিয়র সিসিকের ম্যাচে সাই সুদর্শনের মেনটোত ছিলেন আম্বাতি রাইডু।

৪। আইপিএলে সাই সুদর্শনের সর্বোচ রান কত ?

আইপিএলে সাই সুদর্শনের সর্বোচ রান ২০২৫ আইপিএলে দিল্লী ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৬১ বলে ১০৮ রান।

Leave a Comment