কৃষকেরা হলেন দেশের অন্নদাতা, তাই তাদের সুবিধা অসুবিধা নিয়ে ভারত সরকার সবসময় তৎপর। কিসান ক্রেডিট কার্ড হল কৃষকদের জন্য ভারত সরকারের এক অভিনব চিন্তা ধারার বাস্তব রূপায়ণ। কৃষাণ ক্রেডিট কার্ডের (KISAN CREDIT CARD) মাধ্যমে কৃষকেরা কিভাবে উপকৃত হন তা নিয়ে অনেকেরই অনেক প্রশ্ন আছে।
অনেক কৃষকই এখনো জানেন না কিভাবে কিসন ক্রেডিট কার্ডের সুযোগ সুবিধা পাওয়া যাবে। তাই আজকের এই প্রবন্ধে কৃষকদের মতো সহজ সরল ভাবে আমি আপনাদের জানাবো কৃষান ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা, কিভাবে এই কার্ডের জন্য আবেদন করবেন, কিভাবে এই কার্ড ব্যবহার করবেন সমস্ত কিছু। চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
Also Read: যুবশ্রী প্রকল্পের সম্পূর্ণ তথ্য
কৃষান ক্রেডিট কার্ডের বিবরন (Details of Krishan Credit Card)
কৃষকদের তাদের কৃষি কাজের জন্য পর্যাপ্ত এবং সময়মত ঋণ প্রদানের লক্ষ্যে কেসিসি স্কিম চালু করা হয়েছিল। এই প্রকল্পটি ১৯৯৮ সালের আগস্ট মাসে শুরু করা হয়েছিল। পরে এই প্রকল্পে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে সেগুলি হল।
১। প্রথমে এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রদত্ত ঋণের উপর ৯ পার্সেন্ট হারেস সুদ নেয়া হতো। পরে ভারত সরকার ২% সুদ কম করে দেন ইন্টারেস্ট সাবভেনশন স্কীমের (interest subvention Schime) মাধ্যমে।
২। ঋণ প্রদানের এক বছরের মধ্যে শোধ করতে পারলে সুদের হারে 3% অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া হয় (Prompt Repayment Incentive )। তার জন্য আরেকটি শর্ত হলো ঋণের পরিমাণ 3 লাখ টাকার থেকে কম হতে হবে।
অর্থাৎ, বর্তমানে ঋণ নেওয়ার এক বছরের মধ্যে ঋণের টাকা শোধ করতে পারলে এবং দিনের পরিমাণ ৩ লাখ টাকার কম হলে মাত্র ৪% সুদের হারে লোন পাওয়া যাবে।
কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের উদ্দেশ্য (Objectives of Kisan Credit Card)
কিষাণ ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের লক্ষ্য হল কৃষকদের চাষাবাদ এবং অন্যান্য প্রয়োজনের জন্য ন্যূনতম এবং সরলীকৃত পদ্ধতিতে ব্যাঙ্কিং সিস্টেম থেকে পর্যাপ্ত এবং সময়োপযোগী ঋণ সহায়তা প্রদান করা।
কৃষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে প্রাক্ত টাকা থেকে কৃষকরা যেভাবে উপকৃত হয় সেগুলি হলঃ
১। ফসল চাষের জন্য স্বল্পমেয়াদী ঋণের প্রয়োজনীয়তা মেটে।
২। ফসল চাষের পরবর্তী খরচ খরচা বহন করতে সুবিধা হয়।
৩। উৎপাদন এবং বিপণন খরচা বহন।
৪। কৃষক পরিবারের খরচের প্রয়োজনীয়তা মেটানো।
৫। খামারের সম্পদ ও কৃষির সাথে জড়িত কার্যকলাপের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কার্যকরী মূলধন জগান দেওয়া।
৬। কৃষি ও সংশ্লিষ্ট ক্রিয়াকলাপের জন্য বিনিয়োগ ঋণের প্রয়োজনীয়তা মেটানো।
Also Read: কী ভাবে আবেদন করবেন রূপশ্রী প্রকল্পে
কৃষান ক্রেডিট কার্ডের ধরন (Types of Kisan Credit Cards)
কিষাণ ক্রেডিট কার্ড কে সমস্ত ব্যাঙ্কের এটিএম (ATM) এবং মাইক্রো এটিএম (Micro ATM) গুলিতে প্রয়োগে সক্ষম করার জন্য আই এস ও আই আই এন (ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অর্গানাইজেশন ইন্টারন্যাশনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) [ISO IIN (International Standards Organization International Identification Number)] ও পিন (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) [PIN (Personal Identification Number)] সহ একটি ম্যাগনেটিক স্ট্রাইপ কার্ড করা হয়েছে। দেখতে সম্পূর্ণ এটিএম (ATM) কার্ডের মত।
যেখানে ব্যাঙ্কগুলি UIDAI-এর কেন্দ্রীয় বায়োমেট্রিক প্রমাণীকরণ অবকাঠামো ব্যবহার করতে চায় অর্থাৎ আধার প্রমাণীকরণ চাই সেখানে ম্যাগনেটিক স্ট্রাইপ সহ ডেবিট কার্ড এবং ইউআইডিএআই-এর বায়োমেট্রিক প্রমাণীকরণ (biometric authentication of UIDAI) সহ আইএসও আইআইএন (ISO IIN) সহ পিন (PIN) প্রদান করা যেতে পারে।
ব্যাঙ্কগুলি ইএমভি (ইউরপে, মাস্টারকার্ড এবং ভিসা, একটি বিশ্বব্যাপী মান) EMV (Europay, MasterCard and VISA, a global standard for the interoperation of integrated circuit cards) ইস্যু করতে পারে অথবা রূপে কার্ড (RUPAY) ও প্রদান করতে পারে। যেমন স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে রূপে কার্ড দেওয়া হয়ে থাকে।
কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা প্রদানকারী ব্যাংক গুলি (Kisan Credit Card Facilitating Banks)
১। পাবলিক সেক্টর ব্যাংক (Public sector bank) যেগুলির মধ্যে পড়ে
- স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (State Bank of India)
- কানারা ব্যাঙ্ক (Canara Bank)
- ব্যাঙ্ক অফ বরোদা (Bank of Baroda)
- পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক (Punjab National Bank)
- ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক (Indian Bank)
- ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (Bank of India)
- ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (Union Bank of India)
- ব্যাঙ্ক অফ মহারাষ্ট্র (Bank of Maharashtra)
- সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (Central Bank of India )
- UCO ব্যাংক (UCO Bank)
- ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্ক (Indian Overseas Bank)
- পাঞ্জাব ও সিন্ধু ব্যাংক (Punjab and Sind Bank)
২। প্রাইভেট সেক্টর ব্যাংক ( privet sector bank) যেগুলির মধ্যে পড়ে
- এক্সিস ব্যাঙ্ক (Axis Bank) বন্ধন ব্যাংক (Bandhan Bank) ইত্যাদি।
- কর্পোরেটিভ ব্যাংক (Corporative bank)
- আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাংক (Regional rural bank)
Also Read: গতিধারা প্রকল্পের সম্পূর্ণ তথ্য
ক্রেডিট সীমা (Determination of credit limit)
যে সব কৃষকেরা বছরে একটি একক ফসল চাষ করেন তাদের জন্য:
প্রথম বছরের জন্য ঋণের স্বল্পমেয়াদী সীমা
ফসলের জন্য অর্থের প্রয়োজনীয়তা (জেলা স্তরের কারিগরি কমিটি দ্বারা নির্ধারিত) x চাষ করা এলাকার পরিমাণ + 10% পরবর্তী সীমার দিকে ফসল/গৃহস্থালি/ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা + খামার সম্পদের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচের সীমার 20% + ফসল বীমা, PAIS এবং সম্পদ বীমা।
দ্বিতীয় এবং পরবর্তী বছরের জন্য সীমা
শস্য চাষের উদ্দেশ্যে প্রথম বছরের সীমার উপরে অতিরিক্ত 10% খরচ বৃদ্ধি/ অর্থের স্কেলে বৃদ্ধি অনুযায়ী ঋণ দেওয়া হয়। এই ভাবে পরপর প্রতি বছরের (২য়, ৩য়, ৪র্থ এবং ৫ম বছর) জন্য ঋণের পরিনাম নির্ধারণ করা হয়, ৫ বছর পর্যন্ত।
যে সব কৃষকেরা বছরে একাধিক ফসল চাষ করেন তাদের জন্য
প্রথম বছরের জন্য প্রস্তাবিত শস্য বিন্যাস অনুযায়ী চাষ করা ফসলের উপর নির্ভর করে উপরের মত সীমা নির্ধারণ করা হয় এবং খরচ বৃদ্ধি/ স্কেল বৃদ্ধির জন্য সীমার অতিরিক্ত 10% প্রত্যেক ধারাবাহিক বছরের জন্য (২য়, ৩য়, ৪র্থ এবং ৫ম বছর) যোগ করা হয়। ধারণা করা হয় যে কৃষক বাকি চার বছরের জন্য একই ফসলের ধরণ চাষ করে। পরবর্তী বছরে কৃষকের গৃহীত ফসলের ধরণ পরিবর্তন করা হলে, সীমাটি পুনরায় নির্ধারণ করা যেতে পারে।
কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন, ক্ষুদ্র সেচ, খামার সরঞ্জাম ক্রয় এবং সংশ্লিষ্ট কৃষি কার্যক্রমে বিনিয়োগের জন্য মেয়াদী ঋণ ও পাওয়া যায়। ব্যাংকগুলি কৃষকের দ্বারা অধিগ্রহণের জন্য প্রস্তাবিত সম্পদ গুলির খরচের উপর ভিত্তি করে এবং কৃষি ও সংশ্লিষ্ট ক্রিয়াকলাপের জন্য মেয়াদ এবং কার্যকরী মূলধনের সীমার ওপর ভিত্তি করে ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ করে।
দীর্ঘমেয়াদী ঋণের সীমা (Long term loan limit)
দীর্ঘমেয়াদী ঋণের সীমা নির্ধারণ করা হয় পাঁচ বছরের মেয়াদে প্রস্তাবিত বিনিয়োগ এবং কৃষকের ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা সম্পর্কে ব্যাংকের ধারণার উপর ভিত্তি করে।
র্বাধিক অনুমোদিত সীমা (Maximum Permissible Limit)
ম্যাক্সিমাম পারমিসিবল লিমিট বলতে কৃষাণ ক্রেডিট কার্ডের (Kisan Credit Card) কার্যকরী সময়সীমা কে বোঝানো হয়। এটি স্বল্পমেয়াদী ঋণের জন্য পাঁচ বছর এবং আনুমানিক দীর্ঘমেয়াদী ঋণের জন্য ব্যাংক দ্বারা নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য আপনি যে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করতে ইচ্ছুক সেখানে যোগাযোগ করতে হবে।
Also Read: প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনার সম্পূর্ণ তথ্য
প্রান্তিক কৃষক ব্যতীত অন্যদের জন্য উপ-সীমা নির্ধারণ (Sub-limitation for other than marginal farmers)
প্রান্তিক কৃষক ছাড়া অন্যদের জন্য স্বল্পমেয়াদী ঋণ এবং মেয়াদী ঋণ বিভিন্ন সুদের হার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এছাড়াও, বর্তমানে, স্বল্পমেয়াদী শস্য ঋণগুলি সুদ সাবভেনশন স্কিম/ প্রম্পট পেমেন্ট ইনসেনটিভ স্কিমের আওতায় রয়েছে। এছাড়া, প্রান্তিক কৃষক ব্যতীত অন্যদের জন্য স্বল্পমেয়াদী এবং মেয়াদী ঋণের পরিশোধের সময়সূচী এবং নিয়মগুলি ও আলাদা
কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদনের যোগ্যতা (Eligibility to apply for Kisan Credit Card)
১। আবেদনকারী কৃষককে স্বতন্ত্র/ যৌথ ঋণগ্রহীতা হতে হবে এবং জমির মালিক হতে হবে।
২। আবেদন করে কৃষক ভাড়াটিয়া কৃষক, মৌখিক ইজারাদাতা এবং ভাগ চাষি হতে পারেন।
৩। স্বনির্ভর গোষ্ঠী (এসএইচজি) বা কৃষকদের যৌথ দায়বদ্ধতা গোষ্ঠী (জেএলজি) সহ ভাড়াটিয়া কৃষক, ভাগ চাষি ইত্যাদি কিষান ক্রেডিট করার জন্য আবেদন করতে পারেন।
কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন পদ্ধতি (Application Procedure for Kisan Credit Card)
অনলাইন আবেদন পদ্ধতি/ Online Application Procedure:
১। আপনি যে ব্যাঙ্কের কিষাণ ক্রেডিট কার্ড স্কিমের জন্য আবেদন করতে চান তার ওয়েবসাইটে যান। ২। বিকল্পগুলির তালিকা থেকে, কিষান ক্রেডিট কার্ড বেছে নিন।
৩। ‘Apply’ বিকল্পে ক্লিক করুন।
৪। ওয়েবসাইটটি আপনাকে আবেদন পৃষ্ঠায় পুনঃনির্দেশিত করবে।
৫। প্রয়োজনীয় বিবরণ সহ ফর্মটি পূরণ করুন এবং ‘Submit’ এ ক্লিক করুন।
এটি করার পরে, একটি আবেদনের রেফারেন্স নম্বর পাঠানো হবে। আপনি যোগ্য হলে, ব্যাঙ্ক 3-4 কার্যদিবসের মধ্যে পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য আপনার কাছে ফিরে আসবে।
Also Read: সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনার সম্পূর্ণ তথ্য
অফলাইন আবেদন পদ্ধতি (Offline Application Procedure)
অফলাইন আবেদন করার জন্য আপনার পছন্দের ব্যাঙ্কের শাখায় গিয়ে বা ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র ডাউনলোড করতে হবে। আবেদনকারী বাঙ্কের শাখায় গিয়ে ব্যাঙ্ক প্রতিনিধির সাহায্যে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন।
কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদনের প্রয়োজনীয় নথিপত্র (Required Documents for Kisan Credit Card Application)
১। আবেদনপত্র/ Application Form.
২। দুটি পাসপোর্ট সাইজ ছবি/ Two Passport Size Photographs.
৩। আইডি প্রুফ যেমন ড্রাইভিং লাইসেন্স/আধার কার্ড/ভোটার আইডেন্টিটি কার্ড/পাসপোর্ট/ ID proof such as Driving License / Aadhar Card / Voter Identity Card / Passport.
৪। ঠিকানার প্রমাণ যেমন ড্রাইভিং লাইসেন্স, আধার কার্ড/ Address Proof such as Driving License, Aadhar Card.
৫। রাজস্ব কর্তৃপক্ষ দ্বারা যথাযথভাবে প্রত্যয়িত জমির প্রমাণ/ Proof of landholding duly certified by the revenue authorities.
৬। একর জমির সাথে ক্রপিং প্যাটার্ন (ফসল জন্মানো)/ Cropping pattern (Crops grown) with acreage.
৭। প্রযোজ্য হিসাবে, Rs.1.60 লক্ষ / Rs.3.00 লক্ষের উপরে ঋণের সীমার জন্য নিরাপত্তা নথি/ Security documents for loan limit above Rs.1.60 lakhs / Rs.3.00 lakhs, as applicable.
৮। অনুমোদন অনুযায়ী অন্য কোনো নথি/ Any other document as per sanction.
FAQs: Kisan Credit Card
1. কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের সাহায্যে কত টাকা লোন পাওয়া যাবে?
এইভাবে কোন নির্দিষ্ট টাকার পরিমাণ বলা যাবে না। কৃষাণ ক্রেডিট কার্ডের সাহায্যে জমির পরিমাণ ফসলের উৎপাদন ইত্যাদি বিষয়গুলি বিবেচনা করে ব্যাংক থেকে টাকার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়।
2. কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে প্রাপ্ত লোনের সুদের হার কত?
লোনের পরিমাণ তিন লাখ টাকার কম হলে এবং এক বছরের মধ্যে জমা করলে ৪% হারে সুদ লাগে অন্যথা ৭% হারে সুদ দিতে হয়।
3. কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মেয়াদ কতদিন?
কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মেয়াদ পাঁচ বছর তারপরে ব্যাঙ্কে গিয়ে আপনাকে আবার রিনিউ করতে হবে।
4. কিষাণ ক্রেডিট কার্ডে আবেদনের জন্য কোন বয়স সীমা আছে কি?
কিষাণ ক্রেডিট কার্ড আবেদন করার জন্য কৃষকদের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছরের উপরে হতে হবে এবং ৬০ বছরের উপরে কৃষকদের একজন গ্যারান্টার রাখতে হবে লোন নেওয়ার জন্য।
5. কিষাণ ক্রেডিট কার্ড এর মাধ্যমে লোন নেওয়ায় অতিরিক্ত কোন সুবিধা পাওয়া যায় কি?
কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লোন গ্রহণ করলে ফসলের উপর সরকারে একটি বীমা নথিভুক্ত হয়ে যায় এবং এই লোন নেওয়ার সময় কালের মধ্যে কৃষকের কোনরকম আকস্মিক মৃত্যু ঘটলে সরকার থেকে কিছু পরিমাণ টাকা সাহায্য পাওয়া যায়।
6. কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের জন্য মহিলারা আবেদন করতে পারেন কি?
মহিলা কৃষকের নামে জমি থাকলে তিনি অবশ্যই আবেদন করতে পারেন। এক্ষেত্রে নারী পুরুষের কোন ভেদাভেদ নেই।
7. ভাগ চাষিরা কিভাবে কিষান ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করবেন?
ভাগ চাষি অর্থাৎ যারা অন্যের জমিতে চাষ করছেন তারাও কৃষান ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ভাগ চাষীকে ব্যাংকে গিয়ে যোগাযোগ করতে হবে এবং ব্যাংকের চাহিদা অনুযায়ী নথিপত্র প্রদান করে কৃষাণ ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা গ্রহণ করতে হবে।
নমস্কার, প্রিয় পাঠকগণ। আমার নাম শুভম বিশ্বাস। আমি গত ৫-৬ বছর ধরে ব্লগিং করছি। এই ব্লগটা শুরু করেছি বাংলায় ক্রিকেট খবর এবং আইপিএল নিয়ে লেখার জন্য। ক্রিকেট আমার ছোটবেলা থেকেই একটা ভালোলাগার জায়গা তাই সেই ভালো লাগাকে কাজে লাগিয়ে এই নতুন উদ্যোগ।